Showing posts with label চোখের যত্ন. Show all posts
Showing posts with label চোখের যত্ন. Show all posts

Wednesday, February 22, 2017

চোখ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু আপনি যদি চোখের ব্যাপারে অবহেলা করেন এবং উদাসীন থাকেন তাহলে তা আপনাকে নিয়ে যেতে পারে অন্ধত্বের দিকে। অনেকেই চোখের যে কোনো সমস্যাকে পাওয়ারের সমস্যা বলে ভুল করেন এবং ভাবেন চশমাই একমাত্র সমাধান যা অনেক বড় একটি ভুল। কম্পিউটারের সামনে কাজ করছেন তো করছেনই। চোখে সমস্যা হতেই পারে। চশমা পরতে ভালো লাগেনা? চোখের উপর দিয়ে খুব প্রেশার যাচ্ছে। তবে আপনার জন্য আছে বেশ কিছু ভালো টিপস। একেবারেই বিনামূল্যে। করে দেখুন বেশ কাজে আসবে। এসব টিপসগুলো কাজে লাগিয়ে দৃষ্টিশক্তির কিছুটা উন্নতি হবে।
কম্পিউটার, টেলিভিশন এবং মোবাইলের ব্যবহার কম করুন
প্রযুক্তি আমাদেরকে অনেক কিছুই দিয়েছে কিন্তু এই প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক কিছু হারাচ্ছিও। আমরা সকলেই জানি অতিরিক্ত কম্পিউটার, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের ব্যবহার আমাদের চোখের জন্য অনেক ক্ষতিকর। কিন্তু কেউ বাধ্য হয়ে এবং কেউ ইচ্ছে করেই এই জিনিসটি মানি না। ক্ষতিকর রেডিয়েশনের হাত থেকে চোখ বাঁচাতে যতোটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন এইসকল জিনিস। আর আপনি যদি বাধ্য হয়ে থাকেন তবে একটানা কাজ করবেন না বা টিভি দেখবেন না।
চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ঠাণ্ডা বাতাস
চোখের জন্য সঠিক পরিমাণে আলো বাতাসের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। যদিও আমাদের পরিবেশের দূষণের কারণে দূষিত বাতাসের কারণে আমরা অনেক সমস্যায় পড়ে থাকি। কিন্তু তারপরেও সকালের শুভ্র আলো এবং ঠাণ্ডা বাতাস চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। তাই সকালে উঠে ঠাণ্ডা বাতাস এবং আলোতে থাকার চেষ্টা করুন।
সঠিক খাবার খান
চোখের জন্য ভালো খাবার অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখবেন। স্বাদের কথা একেবারেই ভুলে যান। চোখের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে এমন খাবার থেকে দূরে থাকবেন না। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার, মাছ, শাকসবজি এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান নিয়মিত। ভাজাপোড়া এবং তৈলাক্ত খাবার কম খাবেন।
চোখের ব্যায়াম করুন
দিনে কিছুটা সময় কাজের ফাঁকে বের করে নিয়ে ব্যায়াম করুন চোখের জন্য। চোখের পলক ঘন ঘন ফেলুন। কাজের ফাঁকে ২ মিনিট চোখ বন্ধ করে থাকুন। চোখ ঘুরিয়ে উপর নিচ ডানে বামে তাকান। দুই হাতের তালু ঘষে তালু গরম করে নিয়ে চোখ ঢাকুন হাতের তালুতে। চোখকে কাজের ফাঁকে বিশ্রাম দিন।
চেকআপ করান
সমস্যায় পড়ে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বছরে ২ বার সাধারণ চেকআপের জন্য ডাক্তারের কাছে যান। এতে করে যদি চোখে কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে তা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়বে এবং আপনি বড় কোনো অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাবেন।
চোখের সুস্থতায় মেনে চলুন কিছু নিয়ম। দেহের পাশাপাশি চোখ দুটোকেও রাখুন সুস্থ।
চোখের নিচে কালো দাগ এটা একটি সাধারণ সমস্যা। এই কালো দাগ হওয়ার পেছনে মূলত আমরা নিজেরাই দায়ী। ভাবছেন কিভাবে? নানা কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-খাবারে অনিহা , অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, রাত জেগে থাকা বা ঘুম কম হওয়া, কাজের বাড়তি চাপ নেওয়া, ধূমপান, ঋতুস্রাবে সমস্যা, বার্ধক্যজনিত কারণ, অনেক সময় সূর্যের অতি বেগুণী রশ্মির কারণেও চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে থাকে।
প্রতিদিন অন্তত ৮/১০ গ্লাস পানি পান করুন। নিয়মিত  কম করে হলেও  ৮ ঘণ্টা ঘুমান। বেশি বেশি সবুজ শাক-সবজি খান। খাবারের পাশাপাশি সালাদ খাবেন। এটা আপনার শরীরের স্থুলতা কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিদিন চোখের ব্যয়াম করুন। চেষ্টা করুন দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকার। দিনের যেকোন সময় বেছে নিন চোখের যত্নে ব্যয় করতে তবে ভালো হয় সময়টা ভোরে অথবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলে। বাহির থেকে ঘরে ফিরে চোখে পরিস্কার পানি দিয়ে ঝাপটা দিন। ধূমপান থেকে বিরত থাকুন। আর বাইরে বের হলে অবশ্যই চোখে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
এছাড়াও স্বাস্থোজ্জ্বল চেহারা এবং সুস্থ্যদেহ বজায় রাখতে যেসব বিষয়ে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে তাহলো-
১) একটি আলু ঘষে তার থেকে রসটা নিয়ে পরিষ্কার তুলোয় লাগান।ঐ তুলো চোখের উপর রাখুন,খেয়াল রাখবেন চোখের পাতা এবং চোখের তলা যেন ভালোভাবে ঢাকা থাকে।১০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২) দিনে দুবার করে টম্যাটো আর লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ডার্ক সার্কেলের উপর লাগান।খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।
৩) ৫টি আমন্ড বাদাম অল্প একটু দুধ দিয়ে বাটুন। তারপর affected area-তে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।এক সপ্তাহ রোজ লাগালেই ফল দেখতে পাবেন।
৪) আনারসের রস আর একটু হলুদ গুঁড়ো দিয়ে একটি পেস্ট বানান,১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৫) রাতে শোয়ার আগে চোখের চারপাশে ভিটামিন ই এবং সি সমৃদ্ধ ক্রিম লাগান।
৬) পুদিনা পাতা বেটে লাগালেও খুব উপকার পাবেন,শুধু তাই নয় ক্লান্ত চোখের জন্যেও এটা খুব উপকারী।
৭) ডিমের সাদা অংশ নিয়ে চোখের চারপাশে লাগান,১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।এতে চোখের চারপাশের চামড়া টান টান হবে এবং ডার্ক সার্কেলও কমবে।
৮) শশার রস ডার্ক সার্কেলের জন্য খুবই উপকারী। শশার রস আর লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে তাড়াতাড়ি কাজ হবে।
৯) দিনে দুবার করে গোলাপ জল লাগালে খুব উপকার পাবেন।২০ মিনিট রাখুন তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
১০) দু ফোঁটা আমন্ড অয়েল নিয়ে ঘুমোতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে লাগান এবং আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত রেখে দিন, সকালে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Monday, January 30, 2017

শরীর সুস্থ রাখার জন্যে যেমন ব্যায়ামের দরকার, চোখ ভালো রাখতেও দরকার চোখের ব্যায়াম। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্যে ও চোখের পরিচর্চার জন্যে শুধুমাত্র খাওয়া দাওয়ার উপর নির্ভর করলেই হবে না। আমাদের বর্তমান সময়ের জীবনযাত্রার ধরণ এমনই যে সহজেই চোখ আক্রান্ত হচ্ছে নানা সমস্যায়। বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা, টিভি দেখা ও মোবাইল স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকা এইসব আমাদের চোখের উপর ফেলছে স্থায়ী প্রভাব। এ কারণে চোখে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা দেয়, যার মধ্যে চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, মাথা ব্যথা কিংবা চোখের পেশি চুলকানি উল্ল্যেখযোগ্য।
শরীরের অতি মূল্যবান এই অঙ্গ চোখের সুস্থতার জন্যে দরকার বাড়তি যত্ন। যারা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ও মোবাইলে ফোন ইত্যাদির দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের জন্যে চোখের ব্যায়াম গুলো আরও জরুরী। চোখের আরাম ও সুস্থতার জন্যে চলুন দেখে নেই সহজ কিছু চোখের ব্যায়াম।
চোখের ব্যায়াম ১:
কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় চোখ বন্ধ করে রাখুন। হাতে হাত ঘষে হাতের তালু কিছুটা গরম করে নিয়ে বন্ধ চোখের ওপর রাখুন। হাতের তালু এমনভাবে রাখবেন যাতে ভেতরে কোনো আলো না যেতে পারে। ২ মিনিট এভাবে চোখ বন্ধ রাখুন। দিনে বেশ কয়েকবার এভাবে করুন। এতে চোখের রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং চোখের পেশি সক্রিয় থাকবে।
চোখের ব্যায়াম ২:
যারা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন বেশি মাত্রায় ব্যবহার করেন তাদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তাদের জন্য ব্যায়াম হচ্ছে একটানা না তাকিয়ে থেকে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় সাধারণের তুলনায় ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। এতে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।
চোখের ব্যায়াম ৩:
সোজা হয়ে আরাম করে বসে মাথা স্থির রেখে একবার বাঁদিকে ও একবার ডানদিকে যত দূর সম্ভব তাকান। বাঁ দিকের কোনো বস্তুর ওপর পাঁচ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এবার চোখ স্বাভাবিক করে কয়েকবার পলক ফেলুন। একই প্রক্রিয়া ডান দিকে অনুসরণ করুন। এভাবে ১০ বার করুন।
চোখের ব্যায়াম ৪:
আরাম করে বসার পর হাতের এক আঙুল মুখ থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রেখে তার ওপর মনোযোগ দিতে হবে। এরপর দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে ১০ থেকে ২০ ফুট দূরের কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। প্রতিবার শ্বাস নেওয়ার পর ফোকাসের বিষয়টি পরিবর্তন করে এ ব্যায়াম চালিয়ে যেতে হবে। ফোকাস বা দৃষ্টি দেওয়া ব্যায়ামটি চোখের অভ্যন্তরীণ মাংসপেশির।
চোখের ব্যায়াম ৫:
চোখের অশ্রুনালির কাছে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের আর্দ্রতা বাড়ে এবং চোখের প্রশান্তি দেয়। চোখের পাতার ওপর মৃদুভাবে তিন আঙুল দিয়ে চক্রাকারে ম্যাসাজ করতে পারেন। ১০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ১০ বার বিপরীত দিকে এ ম্যাসাজ করুন। চোখের দুই পাতার মাঝখানে তিনবার ম্যাসাজ করতে পারেন।
চোখের ব্যায়াম ৬:
এক হাত দূরে একটি কলম নিয়ে সোজা কলমটির দিকে তাকিয়ে থাকুন। তারপর ধীরে ধীরে কলমটিকে কাছাকাছি নিয়ে আসেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না কলমটিকে ঘোলাটে দেখা যায়। এরপর আবারও কলমটিকে ধীরে ধীরে কাছে থেকে দূরে নিয়ে যান। খেয়াল রাখুন, চোখের দৃষ্টি যেন কলমের দিকে থাকে।
চোখের ব্যায়াম ৭:
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে কিছুক্ষণ পর পর টানা দুই মিনিট চোখ পিটপিট করুন। এই ব্যায়াম আপনার চোখের রক্তসরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করবে। কিছুক্ষণ পর পরই এই ব্যায়াম করলে সুফল পাবেন।
চোখের ব্যায়াম ৮:
মাথাটা স্থির রেখে চোখ দুটো বন্ধ করুন। এবার ধীরে ধীরে চোখের মণি দুটো একবার ওপরে ও একবার নিচে করুন। এভাবে করুন ১০ বার। চোখের আরামের জন্যে উপকার পাবেন।
চোখের ব্যায়াম ৯:
মাথাটা স্থির রেখে চোখের মণি দুটি একবার ঘড়ির কাঁটার দিকে ১০ বার ঘোরান। এরপর একইভাবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে মণি দুটি ঘোরান আরও ১০ বার। চোখের মণি ঘুরিয়ে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও অন্যান্য জ্যামিতিক আকার আঁকুন।
চোখের ব্যায়াম ১০:
চোখের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে মনে হলে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে রিল্যাক্স করুন। আপনার চোখের পেশির ওপর যে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে, তা এভাবে কিছুটা কমবে।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
Powered by Blogger.

Contact us

Name

Email *

Message *

Followers

Featured Posts

Social Icons

Pages

Facebook

Video

সর্বাধিক পঠিত

Our Facebook Page

Text Widget