Showing posts with label ফিটনেস. Show all posts
Showing posts with label ফিটনেস. Show all posts

Friday, May 5, 2017

ছোটবেলায় দড়ির লাফ খেলেননি, এমন মানুষ খুব কম। বিদ্যালয়গুলোতেও তখন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ভেতর দড়ির লাফ ছিল অন্যতম। এই মজার খেলাটিই কিন্তু আপনার শরীরের জন্য খুব উপকারী একটি ব্যায়াম। স্বাস্থ্য ফিট রাখতে, ওজন কমাতে, শরীরের ঘাম ঝরাতে দড়ি লাফের বিকল্প খুব কম। 

চলুন জেনে নেই দড়ির লাফের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-
১। এই এক্সারসাইজ করতে আপনাকে একেবারে পারদর্শী হতে হবে তা নয়। বিগিনার থেকে অ্যাডভান্স সবাই এটি করতে পারবে। নিয়মিত এই এক্সারসাইজ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।
২। বেশিরভাগ সময় বাইরে দৌড়াতে যেতে হবে চিন্তা করে আলসেমি ঘিরে ধরে। তবে হাতের কাছে দড়ি থাকলে আর ঘরের বাইরে যেতে হবে না। ঘরেই করতে পারবেন। তাই খারাপ আবহাওয়া আপনার ফিটনেস রুটিনে আর বাধা নয়।
৩। দেহের চর্বি ঝরাতে এর জুড়ি নেই। দৌড়ানোর চেয়ে স্কিপিং বেশি ক্যালোরি বার্ন করতে সক্ষম। এক ঘন্টা স্কিপিং-এ ১৩০০ ক্যালোরি খরচ হয়।
৪। দড়ি লাফ ব্যায়ামের সবচেয়ে সস্তা উপায়। একটি রোপ হলেই হল। এটি আপনার মাংসপেশিকে টোন করতে সাহায্য করবে।
৫। এটি আপনার হাত পা একসাথে চালানো ব্যাল্যান্স করবে সাথে শরীরের অন্য অঙ্গ প্রতঙ্গ। তাই সব অ্যাথলেটরাই স্কিপ্পিং চর্চা করেন। শরীরের সামঞ্জস্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়াম।
৬। গবেষণায় দেখা গেছে যে, স্কিপিং আপনার জয়েন্টে কম চাপ তৈরি করে দৌড়ানোর চেয়ে। তাই দৌড়ানোর চেয়ে স্কিপিং ভালো ব্যায়াম হিসেবে পরিচিত। যেহেতু স্কিপিং এর ফলে হার্ট বিট ফার্স্ট হয় তাই এটি আপনাকে আলাদা করে কার্ডিও ভাস্কুলার এক্সারসাইজ করতে হবে না।
৭। দড়ি লাফের কারণে আপনার ফুল বডি ওয়ার্ক আউট হবে। এটা থাই টান টান করতে খুব কার্যকর। এমন কি হাত ও হিপের মাংসপেশি টান টান করে।

Saturday, April 8, 2017

শারীরিক ও মানসিক ভাবে ভালো থাকার জন্য ইয়োগা করা ভালো। ইয়োগা টিচার লরেন জেকব তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে বলেন যে-ইয়োগা সম্পর্কে বাস্তবিক ধারনা না নিয়েই যারা ইয়োগা শুরু করেন, তাদের অনেককেই তিনি বলতে শুনেছেন যে –“ইয়োগা আমার জন্য না”। যে কাজে আমরা আমাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করি সে কাজে অস্বস্তি বোধ করলে সেই কাজটি আমাদের পছন্দ হবেনা এবং সবসময় দ্রত ফল আশা করাটাই আমাদের স্বভাব। কিন্তু অন্যান্য কাজের মতো ইয়োগার ফল এতো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না। তাই ইয়োগা শুরু করার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন। আর তা হল-
১। যে কোন মানুষ ইয়োগা করতে পারেন
ইয়োগা সূত্র অনুযায়ী ইয়োগা করার জন্য একমাত্র যোগ্যতা হচ্ছে, মনোযোগী হওয়া বা আপনার কাজের প্রতি ফোকাস করতে পারা। মনকে শান্ত করুন এবং যে কাজ করছেন তার প্রতি পূর্ণরূপে মন নিবদ্ধ করুন। তাহলেই আপনি একজন যোগী হতে পারবেন।
২। আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে
জীবনের মত ইয়োগাকেও দীর্ঘ একটি ভ্রমণ হিসেবে চিন্তা করতে হবে যেখানে হেরে যাওয়া বা জয় লাভ করার কিছু নেই। আপনার নিজের জন্যই আপনাকে এই চর্চায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তাই নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। এছাড়া এর সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।
৩। ভরা পেটে ইয়োগা করবেন না
ইয়োগা টিচার ক্রিস্টিন ম্যাকগি এর মতে ইয়োগা অনুশীলনের ১ ঘন্টা আগে খেয়ে নিতে হবে। যদি সেটা সম্ভব না হয় তাহলে ইয়োগা করার ২০ মিনিট আগে ১টা কলা খেয়ে নিতে পারেন। খাওয়ার সাথে সাথে ইয়োগা করলে হজমে সমস্যা হতে পারে।
৪। সব সময় ভাবতে হবে যে মাত্রই শুরু করেছেন
অনুশীলনে মাস বা বছর পার হয়ে গেলেও নিজেকে আরম্ভকারী হিসেবেই গণ্য করতে হবে। যে নিয়ম গুলো শিখছেন তা মনে রাখার চেষ্টা করুন। যদি আপনি ৫০০ ঘন্টার ইয়োগা টিচার্স ট্রেনিং ও সম্পন্ন করে ফেলেন তাও আপনাকে মনে করতে হবে যে,আপনি এখন ও শিক্ষানবিস আছেন।
৫। দমই সবকিছু
ক্লাসের প্রথম দিন থেকে দম নেয়া ও দম ছাড়ার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন। যখন আপনি গভীর ভাবে দম নিতে ও ছাড়তে পারবেন তখনই চমৎকার অনুভুতি অনুভব করতে পারবেন। প্রশান্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় কৌশল এটা।
ইয়োগা করার সময় জুতা-মোজা খুলে রাখুন, মোবাইল সাইলেন্ট করে রাখুন,আরামদায়ক পোশাক পরুন,হাতের কাছে তোয়ালে রাখুন ঘাম মোছার জন্য। ইয়োগা করার সময় ক্লান্ত লাগলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে নিন।
আপনার ইয়োগা শিক্ষককে অনুসরণ করাটা কঠিন মনে হতে পারে। আপনার মনে হতে পারে খুব দ্রুত অথবা খুবই আস্তে শেখাচ্ছেন। শিক্ষকের পদ্ধতিকে বিশ্বাস করে আপনাকে সামনে এগোতে হবে। যদি কোন শিক্ষকের পদ্ধতি আপনাকে অনুরণিত না করে তাহলে অন্য শিক্ষকের কাছে যেতে হবে। ইয়োগার সব পদ্ধতি সবাই শিখতে পারবেন না। আপনার জন্য কোন আসনটি প্রযোজ্য তা জেনে নিয়ে শুরু করুন ইয়োগা।
আপনি নিজেকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে চান? কিন্তু কি করে কি করতে হবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। তাদের জন্যই এ সাত প্রকার ব্যায়াম। এগুলো আপনার দেহ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
পাশাপাশি অতিরিক্ত চর্বি পুড়িয়ে দেহকে মুটিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে। তবে এর সঙ্গে অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। সুতরাং অন্য কিছু না করে চলুন ব্যায়াম সাতটি করা যাক:
দড়ি লাফ:  সর্বশেষ কবে দড়িতে লাফিয়েছেন? নিশ্চয়ই ছোট থাকতে। কিন্তু এর উপকারিতার কথা জানলে এ বয়সেও লাফাতে মন চাইবে। দড়ি লাফ সবচেয়ে সহজে সবখানে করা যায় এমন একটি ব্যয়াম। যেকোনো ব্যায়ামের চেয়ে এটি প্রতি মিনিটে দ্রুত ক্যালোরি পোড়ায়।
স্কোয়াটস: দেহের কোনো বিশেষ অঙ্গ নয়, স্কোয়াটসের মাধ্যমে পুরো দেহের ব্যায়াম হয়। শক্তিশালী এ ব্যায়াম আপনার দেহের মাংসপেশী শক্ত করে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করবে।
পুশআপ: কষ্টদায়ক বলে অনেকেই পুশআপ এড়িয়ে চলেন। কিন্তু এটি আপনার দেহের জন্য অত্যন্ত দরকারি। বিভিন্ন ধরনের পুশআপে বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। এছাড়া হার্ট, কার্ডিওভাসকুলার, ব্যাকপেইন ও পোশ্চারের জন্যও পুশআপ উপকারি।

লাঙ্গস: পায়ের মাংসপেশি গঠনে লাঙ্গস খুব দরকারি। প্রতিদিন ৩ সেটের ১০টি লাঙ্গস সবচেয়ে ভালো ফল দেয়।
সাঁতার:  সাতারপ্রেমীদের জন্য সুখবর-দেহ গঠনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যায়াম হচ্ছে সাতার। যেহেতু সাঁতারে দেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রতঙ্গ নড়াচড়া করে, তাই মাংসপেশি মজবুত করতে সাঁতারের বিকল্প নেই। সেসঙ্গে রক্তচাপ ও হৃদপিণ্ডের জন্যও এটি কার্যকরী।

দৌঁড়ানো: দৌঁড়ের উপকারিতা অনেক। চাপমুক্ত রাখতে, হৃদপিণ্ড সবল করতে, হতাশা দূর করতে ও ক্যালোরি ধবংস করতে এর বিকল্প নেই।

সাইক্লিং: নিজেকে ফিট রাখতে সাইক্লিং অনেক উপকার করে থাকে। এটি আপনার পা, মাংসপেশি ও দেহের পেছনের অংশ ঠিক রাখবে। হৃদপিণ্ড সচল রেখে ওজন কমাবে।

Saturday, February 18, 2017

অমর হবার ইচ্ছা মানুষের চিরন্তন কিন্তু বাস্তবে অমর হওয়া সম্ভব না হলেও হৃদযন্ত্রের সঠিক যত্ন নিলে দীর্ঘায়ূ লাভ করা যায়। হৃদয় সুস্থ রাখতে বাড়তি কিছু করার দরকার নেই, এর জন্য সুশৃঙ্খল জীবন যাপনই যথেষ্ট। অতি সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে হার্ট ভালো রাখার কিছু উপায় তুলে ধরা হয়েছে, চারপাশের পাঠকদের জন্য সেই প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হল।
১। লবণ খাওয়া কমানো : অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। এর ফলে হৃদপিণ্ডের রক্তসরবরাহকারী ধমনী সম্পর্কিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২। ধূমপান এড়িয়ে চলুন : ধূমপানের ফলে আয়ু ১৫ থেকে ২৫ বছর কমে যায়। একজন ধূমপায়ীর হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা একজন অধূমপায়ীর তুলনায় দ্বিগুণ। ধূমপান বন্ধ করার মুহূর্ত থেকেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমতে থাকে।
৩। অ্যালকোহলের মাত্রা কমানো : অতিরিক্ত অ্যালকোহল হৃদপেশির ক্ষতি করে। রক্তচাপ বাড়ায় এবং পাশাপাশি ওজনও বৃদ্ধি করে। তাই অ্যালকোহল গ্রহণ বাদ দেওয়া শরীরের জন্য ভালো। একবারে বাদ দেওয়া সম্ভব না হলে প্রতিদিন একটু একটু করে কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪। ডায়েট মেনে চলা : সবসময় সুষম খাবার খাওয়া উচিত। তাজা ফল এবং সবজি, শষ্যজাতীয় খাবার যেমন- শষ্য থেকে তৈরি রুটি ও ভাত ইত্যাদি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।
৫। নিয়মিত পরীক্ষা : নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করলে দেহের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সাহায্য করে। তাই রুটিন অনুযায়ী রক্তচাপ, শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করান।
৬। কর্মচঞ্চল থাকা : প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করা উচিত। তাছাড়া কর্মক্ষম থাকা কেবল হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্যই নয় এটি মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৭। ক্লান্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ : যদি দেখা যায়, আপনি ঠিক মতো খেতে পারছেন না, ধূমপান বা মদ্য পান বেশি করছেন। তাহলে বুঝতে হবে আপনার ভেতর অবসাদ কাজ করছে। অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্য পান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অবসাদ নিয়ন্ত্রণের জন্য যোগ ব্যায়াম বা ধ্যান বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৮। কোমড়ের মাপ নিয়ন্ত্রণ : রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমে অনেক ক্ষতিসাধন করে এতে করে ওজন বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত ওজন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৯। হাসি হৃদয় সুস্থ রাখে : হাসি মানব দেহ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হাসির মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের চাপ কমানো সম্ভব।
(ইন্টারনেট অবলম্বনে)
সুস্থ শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেই কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এই দৈনন্দিন পানির পানের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে দিলে তা হতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার প্রতিরোধক। সাধারণত লেবু খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্যে খেয়ে থাকলেও এতে আছে ভিটামিন এবং নানা খনিজ উপাদান। লেবু পানি ওজন কমাতে কাজ করে, কিডনি ভালো রাখে, হজমে সাহায্য করে ও শরীর থেকে নানা বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক এক ওয়েবসাইট অবলম্বনে লেবুপানি পানের নানান উপকারিতা ও গুনাবলী এখানে দেওয়া হল।
পেট ব্যথা সারাতে: হজমের সমস্যা একটি অতি প্রচলিত সমস্যা। যার অত্যন্ত কার্যকরী সমাধান কুসুম গরম লেবুপানি। লেবু-সরবত রক্ত পরিশোধনে সাহায্য করে। পাশাপাশি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের দুষিত পদার্থ দূর করে।
ত্বকের যত্নে: বাজারের সব প্রসাধনীই দেয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের প্রতিশ্রুতি। তবে এজন্য যেমন গুনতে হয় হয় টাকা, তেমনি আছে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কাও। কম খরচে আর নিশ্চিত উপকার পেতে বেছে নিতে পারেন লেবুর রস। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি বয়সের চাপ কমাতে, ব্ল্যাকহেড ও বলিরেখা দূর করতে এটি অত্যন্ত উপকারী।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: লেবুতে থাকে অনেকটা ভিটামিন সি এবং লৌহ যা ঠাণ্ডাজ্বর জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে ভীষণ কার্যকর। এতে আরো রয়েছে পটাসিয়াম যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যাসকরবিক এসিড প্রদাহ দূর করে এবং অ্যাজমা বা এজাতীয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়। এছাড়াও লেবু কফ কমাতে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে: লেবুতে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও বমিভাব কমাতে এবং ঝিমঝিমভাব কমাতেও এটি উপকারী।
শরীরের পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে: এর অর্থ হলো শরীরের অম্ল-ক্ষারকের মাত্রা ঠিক রাখে লেবু। লেবু হজম হয়ে যাবার পর কিন্তু আর অম্লীয় থাকে না, ক্ষারীয় হয়ে যায়। ফলে এটি রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের অম্লতা বাড়তে দেয় না। অম্লতা বেড়ে গেলেই দেখা দেয় রোগ।
হজমে সহায়ক: শরীর থেকে অযাচিত পদার্থ এবং টক্সিন বের করে দেয় লেবুর রস। আমাদের হজমের জন্য ব্যবহৃত লালা এবং পাচক রসের সাথে বেশ মিল আছে এর গঠন এবং কাজের। আর যকৃতের থেকে হজমে সহায়ক এক ধরণের পদার্থ নিঃসরণেও এটি সহায়তা করে।
মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা: মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এবং মাঢ়ির রক্তক্ষরণ থামাতে লেবু পানি বেশ উপকারী। দাঁত ব্যথা কমাতেও এটি কার্যকর।
কৃমি দূর করতে: ঘন ঘন কৃমির আক্রমণে ক্লান্ত? প্রতিদিন এক গ্লাস লেবু পানি পান করুন আর কৃমির সাথে যুদ্ধ জয় করুন।
শ্বাস যন্ত্রের সমস্যা দূর করতে: লেবু পানি কফ সারায়। ফলে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা দূর হয়। হাঁপানি রোগীদের জন্যও এটি উপকারী।
মানসিক স্বাস্থ্য: মন ফুরফুরে করে দিতে অনন্য এই লেবু পানি। দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে লেবুর সরবতে।
প্রদাহ কমাতে: গলা জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়ক লেবুপানি। কারণ এতে আছে অ্যান্টিব্যক্টেরিয়াল উপাদান। লবণ পানিতে যাদের উপকার হয় না তারা লেবু পানি দিয়ে গড়গড়া বা কুলিকুচি করতে পারেন।
বয়সের ছাপ কমাতে: বয়স কমাতে না পারলেও লেবুপানি আপনার বাহ্যিক তারুণ্য ধরে রাখতে পারে। তাছাড়া লেবুপানিতে নেই কোনো ক্যালরি পাশাপাশি এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও।
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রনে: লেবু পানি দেহের ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রনে রাখে। রোজ পান করলে উচ্চরক্তচাপ ১০ শতাংশ কমে যায়। লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।

Tuesday, January 31, 2017

আমরা সবাই জানি হাঁটাহাঁটি করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। নিয়মিত হাঁটলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে, ওজন কমে, মানসিক চাপ কমে। প্রতিদিন আপনি কতটা সময় হাঁটছেন, এই বিষয়টিও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শরীর ঠিক রাখতে। ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা নিয়মিত যতক্ষণই হাঁটুন তার কিছু সুবিধা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
জীবনযাত্রাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে প্রতিদিন ৩০, ৪০, ৬০ মিনিট হাঁটলে কী উপকার হয়।
৩০ মিনিট হাঁটলে
বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটলে মেজাজ ভালো থাকে। মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা কমে। নিয়মিত হাঁটলে মস্তিষ্ক থেকে সুখী হরমোন নিঃসরিত হয়। এতে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বাড়ে। নিয়মিত হাঁটলে শরীর শিথিল হয়। এ ছাড়া নিয়মিত আধা ঘণ্টা হাঁটলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। রক্তনালি থেকে বাজে চর্বি দূর করতে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমে যায়।   
৪০ মিনিট হাঁটলে
সপ্তাহে তিনদিন নিয়মিত ৪০ মিনিট করে হাঁটলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, মনোযোগ বাড়ে। মস্তিষ্কের যেই অংশ ভাবনা ও পরিকল্পনা করে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে সেটিও সুরক্ষিত থাকে।   
৬০ মিনিট হাঁটলে
আপনি যদি প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা হাঁটেন তাহলে আর মোটা হবেন না। হাঁটলে শরীরের বাড়তি ক্যালোরি খরচ হয়ে যায়। প্রতিদিন এক মাইল হাঁটলে শরীর থেকে ১০০ ক্যালোরি খরচ হয়।
৭৫ মিনিট হাঁটলে
আপনি কি জানেন, মাত্র এক সপ্তাহ যদি প্রতিদিন ৭৫ মিনিট করে হাঁটেন, তাহলে আপনার আয়ু অন্তত দুই বছর বাড়বে? হ্যাঁ, বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ৭৫ মিনিট করে হাঁটলে তা আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে।
পিঠব্যথার কারণগুলো মেরুদণ্ড এবং তার সহায়তাকারী মাংসপেশিগুলো থেকে উৎপন্ন হতে পারে অথবা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো যাদের স্নায়ু সরবরাহের কিছু শাখা পিঠে বিস্তৃত সেখান থেকেও পিঠব্যথা হতে পারে। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায়ও পিঠের নিচের অংশে ব্যথা হতে পারে।
পিঠব্যথা থেকে রক্ষা পেতে
- দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। যদি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে একটি পা প্ল্যাটফর্মের ওপরে কিংবা টুলের ওপরে রেখে দাঁড়াতে হবে।
- চেয়ারে বসে কাজ করার সময় কিংবা চেয়ারে বসে থাকার সময় যদি চেয়ারটি আপনার পিঠকে ঠিকমতো সাপোর্ট দিতে না পারে তাহলে চেয়ার ও আপনার পিঠের মধ্যের ফাঁকা জায়গাটা পূরণে কুশন ব্যবহার করুন।
- ঘুমানোর সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন। যেমন : শক্ত তোষক বা জাজিমের ওপর ঘুমান।
- মুখ নিচের দিকে রেখে ঘুমাবেন না।
- চিৎ হয়ে ঘুমাবেন। যদি পাশ ফিরে ঘুমাতে চান,তাহলে সে পাশে একটি হাঁটু সামান্য বাঁকা করে ঘুমাবেন।
-পিঠব্যথা প্রতিরোধে নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করতে হবে। এসব ব্যায়াম করলে পেট ও পিঠের মাংসপেশি সবল হয়।
এসব ব্যায়ামের প্রতিটি ১০ বার করতে হবে। মাংসপেশির সবলতা বাড়লে ব্যায়ামের পরিমাণ আরো বাড়ানো যাবে। যদি কোনো ব্যায়ামে ব্যথা হয় তাহলে ওই ব্যায়াম বন্ধ করে দিতে হবে।
১. হাঁটু বাঁকা করে চিৎ হয়ে শুতে হবে। পেটের মাংসপেশিগুলো সঙ্কুচিত করে পিঠকে মেঝের বিপরীতে চাপ দিতে হবে। মনে মনে পাঁচ পর্যন্ত গুনে তার পর শিথিল করতে হবে।
২. হাঁটু বাঁকা করে চিৎ হয়ে শুতে হবে। যত দূর পারা যায় মাথা ও কাঁধ ওপরের দিকে তুলতে হবে। মনে মনে পাঁচ পর্যন্ত গুনে তার পর শিথিল করতে হবে।
৩. উপুড় হয়ে শুতে হবে। ডান পা সোজা রেখে যত দূর সম্ভব ওপরে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, এ সময় হাঁটু কিছুতেই ভাঁজ করা যাবে না। মনে মনে পাঁচ পর্যন্ত গুনে তারপর ধীরে ধীরে পা নামাতে হবে। এরপর বাঁ পা একই রকম করতে হবে। প্রতি পায়ের জন্য পাঁচবার করতে হবে। কারো একবার পিঠব্যথা হলে ব্যথা সেরে যাওয়ার পর আবার যাতে এ ধরনের ব্যথা না হতে পারে, সেই লক্ষ্যে ব্যথা প্রতিরোধ করার জন্যও এসব ব্যায়াম করা যেতে পারে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল
রোগ থেকে দেহকে সুরক্ষিত রাখতে ভালোভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা প্রয়োজন। শুধু ব্যায়াম করা ছাড়াও ভালো ঘুম, ইতিবাচক চিন্তা এবং উপকারী খাবার খাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে কিছু খাবারের নাম, যেগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
প্রোবায়োটিকস
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রোবায়োটিকস খুব উপকারী। প্রোবায়োটিকস পাওয়ার সহজ উপায় হলো দই খাওয়া। দইয়ের মধ্যে এই উপাদান থাকে। গবেষণায় বলা হয়, প্রোবায়োটিকস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।
মাশরুম
গবেষণায় বলা হয়, মাশরুমের মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে পলিস্যাকারাইড। এটি বিভিন্ন রোগের হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়।
ভিটামিন-ডি
ভিটামিন-ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ঠান্ডা ও ফ্লুর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সূর্যের আলোয় পাওয়া যায় ভিটামিন-ডি। এ ছাড়া কিছু খাবারে থেকে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন-ডি পেতে পারেন। বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ, যেমন : স্যামন, সারডিন ইত্যাদিতে পাবেন এটি; এ ছাড়া ডিম, দুধ থেকে পেতে পারেন ভিটামিন-ডি।
গ্রিন টি
নিয়মিত গ্রিন টি পান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা বাড়াতে কাজ করে। গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করতে কাজ করে।
রসুন
রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল। এটি সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে। কেবল ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে নয়, এটি প্যারাসাইটিস, ভাইরাস ও ফাঙ্গাসের সঙ্গেও লড়াই করে।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
খুব গরমের সময় আমরা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করতে পছন্দ করি। আবার শীতের সময় হালকা গরম পানি দিয়ে। তো কোনটি ভালো?  অনেকে বলেন, ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা ভালো; গরম পানি দিয়ে গোসল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে সত্যটি হচ্ছে গরম বা ঠান্ডা পানি দুটো গোসলেরই কিছু উপকার রয়েছে। 

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে দুই ধরনের পানি দিয়ে গোসল করার দুই ধরনের উপকারের কথা।  
গরম পানির গোসলের উপকার
১. গোসলের পর শিথিল বোধ করতে চাইলে গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর গরম পানির গোসল ক্লান্তিভাব কাটাবে। 

২. গরম পানির গোসল অবসন্ন ও ক্লান্তিভাব কাটায়, বিশেষ করে বিকেল বেলায়। 

৩. মাথাব্যথা থাকলে গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। এটি সাময়িকভাবে মাথাব্যথা কমাবে। 

৪. ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ফোলা লাগছে? মুখ ফোলা ভাব কমাতে গরম পানির গোসল করতে পারেন।

৫. কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই উদ্বিগ্ন লাগলে গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। এতে শরীর শিথিল থাকবে। 

৬. গরম পানির গোসল নাকের সর্দি কমায়।

৭. গরম পানির গোসল শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।

৮. গরম পানির গোসল ত্বকের রোমকূপগুলো খুলে দেয়। এতে শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার হয়।
ঠান্ডা পানির গোসলের উপকারিতা
১. ঠান্ডা পানির গোসল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এ জন্য অনেকেই ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসলকে ভালো মনে করেন।

২. ঠান্ডা পানির গোসল অ্যান্টি ডিপ্রেশন হরমোন বের করে। এতে ভালো অনুভূতি হয়।

৩. বিপাক ভালো রাখতে কাজ করে। 

৪. ঠান্ডা পানির গোসল আপনাকে সতেজ করবে, বিশেষ করে সকালে। 

৫. ঠান্ডা পানির গোসল চুল পরা প্রতিরোধ করে এবং ত্বক ভালো রাখে।
Powered by Blogger.

Contact us

Name

Email *

Message *

Followers

Featured Posts

Social Icons

Pages

Facebook

Video

সর্বাধিক পঠিত

Our Facebook Page

Text Widget